সম্প্রতি বরগুনায় প্রথম শ্রেণির পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, ‘প্রশ্নফাঁস বন্ধ করার উপায় কী?’ মো. আতিক উজ জামান বের করেছেন কিছু সহজ সমাধান
অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী টাকার জন্যই এই কাজ করেন। তাই তাঁদের জন্য দেশের সবাই ২ টাকা করে চাঁদা দিলেই হয়। এতে যে বিশাল ফান্ড হবে, তা পদবি অনুযায়ী বণ্টন করে দেওয়া যেতে পারে।
* রেস্তোরাঁয় কাজে না লাগিয়ে রোবটদের দেওয়া যায় প্রশ্ন ছাপানোর মতো জটিল দায়িত্ব। মানুষের ওপর বিশ্বাস না রাখতে পারলেও রোবটদের ওপর এতটুকু বিশ্বাস রাখাই যায়।
* পরীক্ষার আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজারখানেক ভুয়া প্রশ্ন ছড়িয়ে দিতে পারে। এতে কোনটি আসল, কোনটি নকল, তা বোঝার জন্য শিক্ষার্থীরা বইয়ের দিকেই মনোযোগ দেবে।
* এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নিয়ে একটা সমিতি তৈরি করে দেওয়া যায়। সেই সমিতির ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে একটি করে দানবাক্স রাখা হবে। পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে ঢোকার আগে সেখানে যে যার মতো ভিক্ষা দিতে পারবে।


No comments