সফলতার গল্প ০২


সেশন: ২০১৭-১৮

গল্প-০২
.



৩১ মে ২০১৭ - ০৬ অক্টোবর ২০১৭

আমার জীবনে লাভ এট ফার্স্ট সাইট ছিলো বুয়েট। বায়োলোজি বই কখনো পড়তাম না।কলেজে মে বি এক বা দুই বার বায়োলজিতে পাশ করেছিলাম।😀 বায়োলজি ফোর সাবজেক্ট ছিলো বিধায় বেচে যেতাম😕।যদিও ইন্টারে সবচেয়ে ভালো পরীক্ষা দিয়েছিলাম বোটানি।😍যাই হোক ইন্টার এক্সামের মাঝামাঝি কোচিং ভর্তি হবো😰।আব্বু বলল মা ডাক্তারিটা হলে ভালো হতো।😣উনি আমাকে চাপ দেন নি😊।আমি জানতাম বায়োলজি কিছু পারিনা।😊আপুর হয় নাই।এতো পড়ছে আমার তো হবেই না।😊 তাও ভাবলাম বাবা জীবনে আমার কাছে কিছু চায় নাই।এটা যদি দিতে পারি।😇মেডিকো তে গেলাম।প্রথম রিভিউতে প্রাইজ পেয়েই ভালো লাগলো (যদিও এটাই শেষ ছিলো) মেরিটে থাকার খুব ট্রাই করতাম।কোনো কোনো এক্সামের আগে টানা ১৪ ঘন্টাও পড়ছি।আমার বাসায় বলছিলো ফার্স্ট টাইমেই যা করার করতে হবে।প্রাইভেটে পড়ার ক্ষমতা নাই।ফেসবুকে দেখতাম অনেক ফ্রেন্ড প্রাইভেটে এডমিট হয়ে পিক দিচ্ছে।খারাপ লাগতো😞।এরপর দিলো রেজাল্ট।৫৪৬ বুয়েটের কাট মার্কের চেয়ে অনেক বেশি পেয়েছিলাম।কিন্তু ফ্রম তুলি নি😞।কোনো প্রিপারেশন নাই।কি করবো তুলে।অনেক পড়তাম।ফার্স্ট গার্ল স্কুলে থাকলেও জীবনে এতো পড়ি নাই।এক্সাম দিলাম।অনেক ইজি জিনিস ভুল করলাম। কাউকে হলে কিছু আস্ক করি নাই।বের হলাম।সি এন জিতে বসে কাদতেছিলাম আর আম্মুকে বললাম আমার হবে না😞।বাসায় গিয়ে জেইউ এর ডি এর পড়া পড়বো।এ এর ফ্রম তুলি নাই।বাসায় এসে ২ দিন কিছু খাই নাই।বই দেখছি আর কাদছি।ম্যাথ করা হয় নাই আর।জানতাম কোথাও আর হবে না।আমার সব ফ্রেন্ডরা বুয়েটে পাবে আমি কি করব।এভাবে গেলো। জে ইউ এর পুরা কোয়েশ্চন ব্যাংক সলভ করলাম। কিছুক্ষণ পর রেজাল্ট দিলো।আমি মিলাইছিলাম ৭৭ টা নাম্বার ৭১.৭৫।😍হতেই পারে😍। সবাইকে ফোন দিলাম। স্কুলে কোনো টিচার আমার সাথে কথা বলতো না কেনো গোল্ডেন পেয়ে এই কলেজে ভর্তি হইছি। ফ্রেন্ডরা গ্রুপ থেকে বের করে দিছিলো আমাকে। কিছু বলি নাই। কাদতাম খুব। আর আম্মুকে বলতাম। স্যাররা আজ আমার প্রশংসায় ব্যস্ত। জীবন এটাই। সবাই লাইট চায়।
.
© সামিয়া সুলতানা
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ

1 comment:

Theme images by TommyIX. Powered by Blogger.